(ক) গ্যামেট উৎপাদন:
পুংকেশরের পরাগধানীতে মিয়োসিসের মাধ্যমে পরাগকণা (পুং গ্যামেট) উৎপন্ন হয়।
স্ত্রীকেশরের ডিম্বাশয়ে মেগাস্পোর থেকে ভ্রূণথলি গঠিত হয়, যেখানে ডিম্বাণু (স্ত্রী গ্যামেট) থাকে।
(খ) নিষেক:
পরাগনলীর মাধ্যমে দুটি পুং গ্যামেট ভ্রূণথলিতে প্রবেশ করে।
একটি ডিম্বাণুর সঙ্গে মিলিত হয়ে জাইগোট গঠন করে (Syngamy)।
অন্যটি দুইটি মেরু নিউক্লিয়াসের সঙ্গে মিলিত হয়ে ত্রিগুণিত সত্ত্ব নিউক্লিয়াস (3n) গঠন করে (Triple fusion)।
এই প্রক্রিয়াকে দ্বৈত নিষেক (Double fertilization) বলে।
(গ) সত্ত্ব নিউক্লিয়াসের উৎপাদন:
একটি পুং গ্যামেট (n) + দুইটি মেরু নিউক্লিয়াস (n+n) → 3n সত্ত্ব নিউক্লিয়াস।
এটি পরবর্তীতে এন্ডোস্পার্ম গঠন করে।
(ঘ) বায়ুপারাগী ফুলের দুটি বৈশিষ্ট্য:
হালকা ও প্রচুর পরিমাণে পরাগকণা উৎপন্ন করে।
ফুল সাধারণত বর্ণহীন ও গন্ধহীন হয়।